দুবাই পুলিশ ইতোমধ্যে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো ১৪৪ পৃষ্ঠার নথি গ্রহণ করেছে। ওই নথিতে মামলার বিবরণ, প্রাথমিক প্রমাণ এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এখন দ্বিতীয় দফায় আরও তথ্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এরপর আদালত যাচাই করবে, বাংলাদেশে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইনেও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় কি না। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না, সেটিও আদালতের বিবেচনায় আসতে পারে।


